কবি বৃন্দাবন দাস
বৃন্দাবন দাস
জন্ম:--২৭শে অক্টোবর, ১৯৫৪, বনরায়পুর (বাওয়ালি), বজবজ দক্ষিন২৪পরগনা।পেশা- শিক্ষকতা। বিশেষ সম্মান-জিগীসা পত্রিকার কবি সম্মান, কবিপত্র-র সম্মান, ভাষা শহীদ শারদ সম্মান, (ফারাক্কা), খড়্গপুর বইমালা কবি সম্মান, শ্লোক পত্রিকার সম্মান, দক্ষিন২৪পরগানা প্রেস ক্লাব কবি সম্মান, দক্ষিন২৪পরগানা বইমেলা কবি সম্মান, দক্ষিন২৪পরগানা যোগ অ্যাসোসিয়েশন কবি সম্মান ,নেতাজি সংহতি উৎসব কবি সম্মান, সংসদ সোমেন মিত্র কতৃক কবি সম্মান।সম্পাদিত পত্রিকা- 'আমি', কাব্যগ্রন্থ- মানুষের পাশাপাশি, পৃথিবী জয়ের ঘোড়া , নির্জনতার গভীর কন্দরে, আগাম বলে রাখছি, সোনারোদের প্রার্থনা, খুব পরিচিত গন্ধ, আমরণ ঘ্রানের ভিতর, সবুজে মোড়া এই গা, এবং আত্মকথা, নিবিড় অন্ধকারের ভিতর, জন্মভূমির মানুষ মাতৃহীন, নিরক্ষর বাংলার মৃন্ময় উঠোন, শুধু মাটির যা আকাল, ইউ কে র জানালা দিয়ে, দুই নদী এক মোহনা, সুজনেষু।
সব শুষে নেবে
জেগে ওঠার ভিতরই আমাদের বারোয়ারি
যে দূরত্বেই যাই পথ ঠিকই পড়ে থাকে
লতাপাতা গুলমো গুলঞ্ছ বৃক্ষসারী
যেভাবেই এগিয়ে যাই, অনিত্ত সদন নিকটজন
ভিন্নপথ ভিন্নধারা ভিন্নমুখ আড়াল আবডাল
অহং মুছে মুছে দিগন্তবলয় খোঁজে ওম-এর জগত
তত্ত্বকথায় বেজে ওঠে বিজ্ঞান, ভূগোল, দর্শনের বেড়া
খোলস পাল্টে পাল্টে প্রতিদিনই বসে থাকি
বিমুড়, বিব্রত, বিমূর্ত আমি
তবুও বলি, ভালোবাসা পাতেছে ফাঁদ
সব শুষে নাবে...
খাঁচা
রাতের অন্ধকারে কী সাবলীল যাচ্ছে দিন
আমাদের আমাত্য নাটক
নিরাপদ অরণ্য আর অনাবিল সমুদ্রের জন্যে
দু বেলাই খাটিয়ে নিচ্ছে চোখের সামনে নীল সামিয়ানা
মজাটা সবাই জানি, জানি
নির্লিপ্ত ভয় হয়না যেমন উদাসীন সংগম
আরো জানি , পল্লবের মতো পা হয় বলেই
পিঁপড়ের দংশন ও চুম্বনের গাঢ় অভিজ্ঞতা
কচি রঙ জলাপাতা কতদিন অমলিন দেখিনি
এখন তো নিত্যদিন সোনার খাঁচা বানানো হচ্ছে
সুখ কিনে পুষে রাখা হবে
শুধু মানুষের মুখ
স্বজন হারানো ক্রন্দন জুড়ে
মানুষ কি বাঁচে!
দীনতা দিয়ে ঢাকা যায় মানবিক মুখ
শয়তানের ভিড়?
হারিয়ে যাবেনা সে .. যে
আজও মানুষের নাম নেয়
মানুষের সন্তান সাঁতার কাটে
আমরাই সামনে
বুকে প্রেম চোখে অবিলতা
শ্বাসে শ্বসে বন্ধনের বিপুল আকুতি
কোনো দুর্বলতাই আমাকে ঢাকেনি
কখনো
শুধু মানুষের মুখ
প্রেম নিয়ে যাচে...
Comments
Post a Comment